নিজস্ব প্রতিবেদকঃ
চন্দনাইশে আশেকানে মাইজভাণ্ডারী ঐক্য পরিষদ দোহাজারী পৌরসভা কমিটির উদ্যোগে পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে স্বাগত র্যালি ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার সকালে দোহাজারী পৌরসভার জাসিম কনভেনশন থেকে র্যালিটি শুরু হয়ে চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কের বিওসির মোড় প্রদক্ষিণ করে সাঙ্গু কমিউনিটি সেন্টারে গিয়ে শেষ হয়। পরে সেখানে আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়। আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন কমিটির সমন্বয়ক সাইফুল ইসলাম সুমন। জিপু খান ও ফরমান উদ্দিনের সঞ্চালনায় আলোচনায় অংশ কাঞ্চন নগর রহমানিয়া দরবার শরীফ গোলাম মওলা মাইজভান্ডারী, গাউছিয়া মাবুদ মঞ্জিলের সাজ্জাদানশীন মাওলানা মুফতি সৈয়দ আশেকুর রহমান, গাউছিয়া আছাদ মঞ্জিলের সাজ্জাদানশীন সৈয়দ আসাদ উদ্দিন রিয়াদ, গাউছিয়া রহমান মঞ্জিলের শাহজাদা সৈয়দ জিয়াউল হোসাইন আরমান, গাউছিয়া শহীদ মঞ্জিলের শাহজাদা মাওলানা সৈয়দ ইরফানুল হক মেশকাত, পরিষদের পক্ষ থেকে বক্তব্য রাখেন মাওলানা মফিজুর রহমান। মোনাজাত পরিচালনা করেন চন্দনাইশ দরবার শরীফের সাজ্জাদানশীন আবু সাদাত মুহাম্মদ দায়েম বাহাদুর। আলোচনা সভায় বক্তারা বলেন, পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (দ.) মানবজাতির মুক্তি ও শান্তির দিন। এ দিনে রাসুলুল্লাহ (দ.)-এর জীবনাদর্শকে ধারণ করার অঙ্গীকার করতে হবে। প্রিয়নবীর মিলাদ পালন কোনো আনুষ্ঠানিকতা নয়, বরং তাঁর দেখানো সত্য ও ন্যায়ের পথে চলার দৃঢ় অঙ্গীকার। সমাজ থেকে অন্যায়, হিংসা ও বিভেদ দূর করতে হলে অবশ্যই রাসুলুল্লাহ (দ.)-এর জীবন ও সুন্নাহ অনুসরণ করা জরুরি। বক্তারা আরও বলেন, যেখানে নবীজির ভালোবাসা আছে, সেখানে হিংসা নেই, বিভেদ নেই। এ জশনে জুলুস আমাদের ঐক্য ও ভ্রাতৃত্বের প্রতীক। ইসলাম শান্তি ও সম্প্রীতির ধর্ম—এ রকম কর্মসূচি তরুণ সমাজকে ইসলামি আদর্শে গড়ে তুলতে সহায়ক হবে। তাঁরা উল্লেখ করেন, মাইজভাণ্ডারী দরবার সব সময় মানবসেবা, ভ্রাতৃত্ব ও সম্প্রীতির বার্তা ছড়িয়ে আসছে। মিলাদুন্নবী উপলক্ষে এ আয়োজন সেই চিরন্তন ঐতিহ্যকে আবারও স্মরণ করিয়ে দিয়েছে।